জিলিপি...
রথের মেলা কিংবা যেকোনো ধরনের মেলা এমন কোনও জায়গা নেই, যেখানে এই জিলিপি পাওয়া যায় না। মেলায় গেছেন অথচ মেলার মাঠে জিলিপি খুঁজে বেড়ান না এমন মানুষ খুব কমই আছে। আবার জিলিপির সঙ্গে আমাদের অনেকেরই অনেক পুরোনো স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোটোবেলায় মেলায় গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কাড়াকাড়ি করে জিলিপি খাওয়ার সেই স্বাদ যেন আজও প্রান ভরিয়ে তোলে। তাই আজও বহু মানুষের সকালের নাস্তার তালিকায় থাকে গরম গরম কচুরি আর জিলিপি। কিন্ত কবে বা কোথায় জিলিপি প্রথম বানানো হয়েছিলো জানেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক জিলিপির এক অজানা ইতিহাস....
প্রথম জিলিপির আবিষ্কার হয়েছিলো আজ থেকে প্রায় ৬০০ বছর আগে। অক্সফোর্ড "কম্পানিয়ন টু ফুড" বইতে লেখা রয়েছে এই মিষ্টির কথা। সেখানে বলা হয়েছে এয়োদশ শতাব্দীতে মোহাম্মদ বিন হাসান আল বাগদাদি রচিত এক বইয়ে এই জিলিপির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মিশরের ইহুদিরা "জালাবিয়া" নামক এক মিষ্টি প্রস্তুত করতেন। এই জালাবিয়াই কালক্রমে বর্তমান জিলিপির রূপ নেয়।
এই জিলিপির উৎপত্তিস্থল ভারত নয়। এর উৎপত্তিস্থল সুদূর পশ্চিম এশিয়ায়। হ্যাঁ বাঙালির প্রিয় এই জিলিপি আসলে মুঘল কর্তাদের সৃষ্টি।মুঘল আমলের নবাবরা নাকি খুব খাদ্যরসিক ছিলেন। এক্ষেত্রে বিশেষ করে নাম নিতে হয় আকবরের পুত্র জাহাঙ্গীরের। একদিন সম্রাট জাহাঙ্গীরের মন তুষ্ট করতে বিশেষ ধরনের মিষ্টি রাজসভায় পরিবেশন করা হয়।দেখতে গোল হলেও অনেকটা চাকার মতো প্যাঁচ বিশিষ্ট ঘিয়ে ভাজা এক বিশেষ ধরনের চিনির সিরায় রসালো মিষ্টি। একবার মুখে সেই মিষ্টির স্বাদ পাওয়া মাত্রই প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার জোগাড় জাহাঙ্গীরের। তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে এই প্যাঁচালো মিষ্টির প্রশংসায় তিনি পঞ্চমুখ। তবে জিলিপির আবিষ্কার নিয়ে নানান সময়ে নানা অভিমত উঠে এসেছে। জানা যায় জাহাঙ্গীরের দরবারে "জাহাঙ্গীরা" নামক একটি মিষ্টি তৈরি করা হতো যা অবিকল দেখতে এই জিলিপির মতো।
জিলিপি তৈরি হয় ময়দা ও চালের গুঁড়োর মিশ্রন দিয়ে। আড়াই প্যাঁচে তেলে ভেজে চিনির রসে ডুব দেয় এই মিষ্টি। কিন্ত এই আড়াই প্যাঁচ জিলিপি এতোটাই আলোচনার বস্তু যে এর সঙ্গে জটিল মানুষের মানসিকতার তুলনা করা হয়।
আঞ্চলিকতা অনুসারে আবার ঢাকায় বিশাল আকারের শাহী জিলিপি পাওয়া যায়। যা খেতে খুবই সুস্বাদু। তৈরি করার পদ্ধতি এক হলেও এই জিলিপি আকারে বড়ো হয়। আবার রমজান মাসেও এই মিষ্টি বিশেষ প্রচলিত এবং এই মিষ্টি তৈরি করে ফকির ও মিসকিনদের মধ্যে বিতরণও করা হয়।যার নাম "জুলুবিয়া"।
বর্তমানে বাংলার নানা প্রান্তের নানা মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই জিলিপি। তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও মান অভিমান ও রয়েছে। কিন্ত মিষ্টি প্রেমীদের কাছে এই জিলিপি যেন এক অমৃত স্বাদ।
First comment,
ReplyDeleteপ্রথমেই বলবো সেরা লিখেছিস তবে হ্যাঁ জিলেপি কিন্তু খাওয়াতেই হবে 👍
Humm
DeleteGood
ReplyDeleteYummy
ReplyDeleteKhub sundor
ReplyDeleteDarun
ReplyDeleteAwesome
ReplyDeleteMy favourite
ReplyDeleteDarun darun
ReplyDeleteVery good
ReplyDeleteBah
ReplyDeleteDarun 👌
ReplyDeleteরথের মেলা আর জিলেপির কথা মনে করিয়ে দিলি রে তুই ♥️
ReplyDeleteজিলিপি আমার ডার্লিং, তুই আমার হানি,
ReplyDeleteতোর জন্য খালি আমার পকেট হয় খালি।
গোল গোল রূপ, তেলেতে ভিজা কেশ,
তোকে ছাড়া সকাল যেন দুধ চা-তে নেই রেশ।
🫠
ছানার জিলাপি সম্পর্কেও জানার ইচ্ছা রইলো,,✨✌️
ReplyDeleteজিভে জল চলে এল যে 🖤🤌
ReplyDelete❤️❤️
ReplyDelete🤤🤤
ReplyDeleteএক কথাই অসাধারন🤤
ReplyDeleteGenius .... Darun likhechis ... Keep it up ❤️
ReplyDeleteVery good 👍🏻
ReplyDeleteAhaa
ReplyDeleteKhub valo
ReplyDeleteKhub valo hoyeche lekhata
ReplyDeleteAha osadharon
ReplyDeleteSundor ❤🌸
ReplyDelete💙
ReplyDeleteBha darun darun ❤️
ReplyDeleteSundor ❤
ReplyDeleteGood work 👏❤️
ReplyDeleteNice ☺️
ReplyDeleteখেতে বেশ ভালোই লাগে, কিন্তু খাওয়া হয়ে গেলে মুখ কেমন টক টক লাগে🥴
ReplyDeleteEbr khete hobe 😂
ReplyDeleteYummy 😋😋
ReplyDelete👏🏻👏🏻👏🏻
ReplyDeleteএই প্যাঁচ বোঝা বড্ড কঠিন।
ReplyDeleteজিলিপি তো আমার সব থেকে প্রিয় মিষ্টি। আজও বাবা বাজার থেকে জিলিপি নিয়ে আসে শুধু আমার জন্য।😀
ReplyDelete❤️😌
Deleteখুব ভালো হয়েছে লেখাটা 😃❤️
Deleteবাংলার একটি traditional খাবার এই জিলাপি। আর লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছে
ReplyDelete